পৃথিবীর কান্না।। হাছমুন নাহার

পাশবিকতার তান্ডবে ধবধবে ওড়না উড়ছে,
বাতাসে যৌনতার করমর্দনের;
আওয়াজ শোনা যায়!
পৃথিবীর একি হলো,
কোন বেরামে আক্রান্ত?
চারদিকে ঝনঝন করছে মচমচে কাম,
তাজা, বীভৎস বীজ রোপণ করে;
অনুর্বর ভূ-খণ্ডের একাংশে,
কামের নগ্ন নৃত্য হয় হরহামেশা !
নির্মমতায় আহত হয়ে মুঁচড় দেয় শৈশব।
শৈশব হারায় আছিয়ারা!
আলেয়া হ্রাস করে খায় তাদের;
আগামীর যৌবন!
যৌবনবতী হলে কি হয়,
তাদের জানা নেই,
জীবনের নাম লেখা হয়--
বেঁচে থাকার আকুলতায় স্বর্নলতার খাতায়।
আছিয়ারা কাঁদে, আছিয়া কাঁদে।
বাতাস কাঁপে, ওড়না উড়ে,
কম্পিত হয় মায়াবতীরা!
শিশু হয় রক্তাক্ত,
পাগলি হয় গর্ভবতী!
ওড়না জড়ানো মেয়েটার লাগে চুনকালি!
হতভাগি'রা বেঁচে থাকে,
আবার কেউ'বা ঝুলে,
হতভম্ব হয়ে ফেলফেলিয়ে তাকিয়ে রয় অসহায় সমাজ!
প্রশ্নবিদ্ধ হয় মন-মালতির,
"পাগলিটার কি দোষ ছিল"?
শিশুটা তো অবুঝ রয়ে গেছে?
অঝোরে কাঁদে পৃথিবী!
কাফরুল, ঢাকা।
১০/২/২০২৫ খ্রীষ্টাব্দ।



Comments